পাগলা মসজিদ,কিশোরগঞ্জ


পাগলা মসজিদ কিশোরগঞ্জ শহরের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম।এই মসজিদটি জেলা প্রশাসকরে কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে এবং নরসুন্দা নদীর মূল স্রোতধারার দক্ষিণ পাড়ে নদীতে জেগে ওঠা চরে অবস্থিত। অত্যন্ত মনোরম ও নয়নাভিরাম পরিবেশে নির্মিত এই পাগলা মসজিদ। এই মসজিদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যও বেশ পুরনো ও সমৃদ্ধ।

 

 

বাংলার বার ভূঞাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ত্ব দেওয়ান ঈসা থান এর অধ:স্তন বংশের নবম পুরূষ দেওয়ান জেলকদর খানকে অনেকে আল্লাহর দেওয়ানা(পাগল)বলে ডাকত।ধারনা করা হয় সেকারনেই এই মসজিদের নাম ”পাগলা মসজিদ” হিসেবে মানুষের মুখে মুখে খ্যাতি লাভ করে।যা আজ সারা দেশে ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ নামে প্রসিদ্ধ লাভ করেছে।

 

 

যাতায়াত ব্যবস্থা:কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলাতেই অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদ।কিশোরগঞ্জের গাইটাল বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি বা অটোগাড়ি বা অটোরিক্সা যোগে ৩০/২৫/২০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া যাবে কাঙ্ক্ষিত স্থানে।

 

 
 

আবাসিক ব্যবস্থা:উক্ত স্থানের আশেপাশে রাতে অবস্থানের জন্য রয়েছে আবাসিক হোটেলের সুব্যবস্থা।কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের বড় বাজারে হোটেল ক্যাসেল সালাম (চাইনিজ ও আবাসিক), আওয়ামীলীগ অফিসের বিপরীতে হোটেল রিভার ভিউ (আবাসিক), রংমহল সিনেমা হলের বিপরীতে হোটেল হোটেল গাংচিল এ থাকা ও খাওয়ার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। আরও রয়েছে হোটেল শ্রাবণী, হোটেল নরসুন্দা, হোটেল আল মোবারক, উজানভাটি সহ বেশ কিছু হোটেল।

 

 

আরো যা দেখতে পারেন:শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, চন্দ্রাবতী শিব মন্দির,ঈসাখাঁ যাদুঘর, গাঙ্গাটিয়া জমিদারবাড়ি, তালজাঙ্গা জমিদারবাড়ি, গিরিশচন্দ্র পালেরবাড়ি,পাগলা মসজিদ, কুতুব শাহী মসজিদ,শাহ মাহমুদ মসজিদ, এগার সিন্দুর শেখ সাদী মসজিদ, মরুদ্বীপ৭১, প্রভৃতি স্থান সমূহ সময় নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। রাত্রিযাপনের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর ও ভৈরব উপজেলায় রয়েছে আবাসন ব্যবস্থা।